এসইও হাতে খড়ি – অধ্যায়ঃ এক

আর্টিকেল পড়ার নিয়মাবলী

জুনিয়ার এসইও প্রফেশনাল টাস্ক লিস্ট এবং ফ্রি এসইও অনলাইন কোর্স ও সাপোর্ট

আপনি যদি শূন্য অধ্যায়টা ভাল ভাবে পড়ে থাকেন তাহলে সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে আপনার একটা ধারনা হয়ে যাওয়ার কথা। এখন কথা হল, সার্চ ইঞ্জিন কি ভাবে কাজ করে? আসলে সার্চ ইঞ্জিনের প্রধান কাজ হল দুইটাঃ

  • ক্রলিং এবং ইন্ডেক্সিং করা
  • সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীদের তথ্য প্রদান করা

ক্রলিং এবং ইন্ডেক্সিংঃ

বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, আমি ঢাকা যেয়ে রিকসায় উঠতে খুব ভয় পাই। এর প্রধান কারণ হল প্যাচাল রাস্তা ঘাট। মনেহয়, কোন রাস্থা দিয়ে কোন খানে নিয়ে যাবে, আমি পরে আর খুঁজে বের করতে পারবনা। এর থেকে হেঁটে হেঁটে চলা ফেরা করা অনেক সোজা। হারানোর কোন ভয় নেই।

এই সমস্যার সব থেকে ভাল সমাধান হল গুগল ম্যাপ। এই খানে নাই, এমন কোন কিছু নেই। যে কারণে, আমি হেঁটে চলেও আমার প্তহ হারানোর কোন সম্ভবনা নেই।

গুগল ক্রলারের কাজটা অনেকটা এই রকম। সারা ওয়েবের সব ডাটা এক জায়গায় করে এমন ভাবে রাখা যেন যখন দরকার হয় তখন সব থেকে ভাল লিংক গুল তাদের ক্রম অনুযায়ী চলে আসে।

এখন কথা হল ক্রলার কি ভাবে এক লিংক থেকে অন্য লিঙ্কে যায়। এর মুল কারন হল লিংক স্ত্রাকচার। যখন ক্রলার পেজ গুলা পায়, তখন সে ডাটা বেজে ঐ পেজ সংরক্ষণ করে রাখে। এমন ভাবে রাখে যেন পরবর্তীতে যখন দরকার হবে খুব দ্রুত বের করে নিয়ে আসা যায়। চোখের পলকে এই কাজটা করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গুল সারা পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ডাটা সেন্টার গড়ে তুলেছে।

এই হিমালয়ের মত ডাটার পাহাড় নিয়ে মেশিন গুল সব সময় কাজ করে চলেছে দ্রুত ইনফর্মেশন দেয়ার জন্য। আপনি যখন কোন কিছু লিখে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করেন তখন চোখের পলকে ডাটা এনে আপনার সামনে স্কিনে হাজির করে।

কয়কে সেকেন্ড দেরি হলে আমাদের মাথা ঠিক থাকে না। ইন্টারনেট স্লো গতির হওয়ার কারণে অনেক সময় পেজ ওপেন হতে দেরি হয়। তখন কি অবস্থা হয় যে এই সমস্যার মুখমুখি হইছে সে খুব ভাল করে জানে। তবে ইন্টারনেটের গতি ভাল থাকবে আর আপনি ভাল সার্ভিস পাবেন না এই ঝামেলা এড়ানোর জন্য সার্চ ইঞ্জিন সব সময় চেষ্টা করে দ্রুত ফলাফল দেয়ার জন্য।

ফলাফল প্রকাশঃ

সব সমস্যার সমাধান আছে মামুর কাছে। আপনি গুগলের কাছে যে কোন প্রশ্ন করতে পারেন। তার একটা ভাল উত্তর আপনি পাবেন। তাহলে, সার্চ ইঞ্জিনকে যদি আমার উত্তর প্রদানের মেশিন বলে ডাকি তাহলে মনেহয় ভুল হবেনা।

আপনি যখন কোন কিছু লিখে সার্চ ইঞ্জিনে ইন্টার কি সজোরে আঘাত করেন তখন সার্চ ইঞ্জিনের কাজ হয় দুইটা।

  • আপনার কিওয়ার্ড মোতাবেক সব রিলিভেন্ট তথ্য গুল সামনে নিয়ে আসা
  • কিন্তু সব আর্টিকেলকেত আর ১ নাম্বারে নিয়ে আসা যাবে না। এখন গুণগত মান অনুযায়ী তাদেরকে সাজিয়ে র‍্যাঙ্ক করে আপনার সামনে হাজির করা

রিলিভেঞ্চি এবং পপুলারিটি এসইও এর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক।

কি ভাবে সার্চ ইঞ্জিন পপুলারিটি এবং রিলিভেঞ্চি ঠিক করে?

মনেকরেন, আপনি সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করেলন কি ভাবে এসইও শেখা যায়। এরপর উত্তর গুল আসলে কি ভাবে পাইথন শেখা যায়। তখন আপনার মাথা ঠিক থাকবে? সার্চ ইঞ্জিনের কাজ হল এসইও কি ভাবে শেখা যায় সেই ফলাফল গুল আপনার সামনে নিয়ে আসা।

সময়ের সাথে সাথে সার্চ ইঞ্জিন আগের থেকে অনেক বেশি দক্ষ হচ্ছে। সার্চ ইঞ্জিন রিলিভেঞ্চি বের করার জন্য কয়েক’শ ভেরিয়াবেল ব্যবহার করে থাকে। এই গাইডে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভেরিয়াবেল নিয়ে আলোচনা করা হবে।

সার্চ ইঞ্জিন মনেকরে যে জিনিস জত বেশি জনপ্রিয় তার গুণগতমান তত ভাল। কারন কোন জিনিস জনপ্রিয় হতে গেলে যারা সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে তাদের কাছে ভাল লাগা লাগবে।

পপুলারিটি এবং রিলিভেঞ্চি, এই দুইটা জিনিস কিন্তু ম্যানুয়ালি করা হয় না। এই খানে ইনডেক্সিং ব্যবহার করা হয়। আপনার যদি ইনডেক্সিং সম্পর্কে ধারনা থাকে তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে। কোন আর্টিকেল রিলিভেঞ্চি বের হয়ে গেলে, পপুলারিটির মাধ্যমে রাঙ্ক করা হয়।

ইনডেক্সিং এর এই এ্যালগোরিদামে কয়েক’শ ভেরিয়াবেল ব্যবহার করা হয়। এই ভেরিয়াবেল গুলকে আপনি র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর বলতে পারেন। আপনার কাছে যদি কোন সার্চ ইঞ্জিন রাঙ্কিং ফ্যাক্টরের লিস্ট থাকে তাহলে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে।

কি ভাবে সার্চ ইঞ্জিনে ভাল করবেন?

সার্চ ইঞ্জিনের রাঙ্কিং ফ্যাক্টরের এ্যালগোরিদাম অনেক বেশি মাত্রায় জটিল। আপনি যদি ইতি মধ্যে লিস্টটা দেখে আসেন তাহলে আপনার কাছে মনেহবে এসইও তে ভাল করা মনেহয় কোনদিনই সম্ভাব না। কিন্তু, আমার মনেহয় এত চিন্তা না করে তাদের দেয়া নিয়ম নিতি মেনে আপনি জদি কাজ করে জান তাহলে আপনি ভাল কিছু করবেন, ১০০% গ্রান্টি। তাহলে চলে দেখে আসি এসইওতে ভাল করার জন্য বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের উপদেশ গুল কি?

গুগল ওয়েবমাস্টার গাইডলাইন

চলেন দেখে আসি গুগল কি বলছে তার সার্চ ইঞ্জিনে ভাল করার জন্যঃ

  • সাইটের পেজ গুল করার সময় ভিজিটরের কথা মাথায় রেখে করেন, কখনই সার্চ ইঞ্জিনকে প্রথম প্রাধান্য দেয়ার দরকার নেই
  • কখনই ভিজিটরের সাথে ফাইযলামি করার চেষ্টা করবেন না। এক ধরনের কন্টেন্ট দেখাইলেন আর পড়ার জন্য ক্লিক করার সাথে সাথে অন্য জায়গায় নিয়ে হাজির করলেন যে খানে পূর্বের লেখার সাথে কোন মিল নেই।
  • পেজ গুলার লিংক করার সময় পদ মর্যাদা অনুযায়ী লিংক করেন। একটা স্কুলে যেমন প্রথম থাকনে প্রধান শিক্ষক তার পর ক্রম অনুযায়ী অন্যান্য শিক্ষক ঠিক তেমনি।
  • কোন ভিজিটর আপনার সাইটে যেয়ে যদি দেখে শুধু পেজ আছে কোন লেখা নেই, তাহলে সে আপনার ঐ খানে যেয়ে কি করবে। আর ভিজিটর যদি সন্তুষ্ট না হয় তাহলে সার্চ ইঞ্জিনো সন্তুষ্ট না। সুতরাং, ভাল মানের ইনফর্মেশন দেয়ার চেষ্টা করেন। অবশ্যই যেন <title> এবং ALT যে খানে যে ভাবে ব্যবহার করার নিয়ম আছে ঠিক ঐ ভাবে যেন ব্যবহার করা হয়।
  • লেখার ভেতরে কিওয়ার্ড ব্যবহার করেন কিন্তু কখনই যেন ভিজিটের কাছে বিষয়টা বিরক্তিকর না মনেহয়।

বিং ওয়েবমাস্টার গাইডলাইনঃ

  • কিওয়ার্ড ইউরল ব্যবহার করেন এবং অবশ্যই যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখবেন
  • অতিমাত্রায় অ্যাডোব ফ্ল্যাশ প্লেয়ার, জাভাস্কিরপ্ট, এজ্যাক্সের ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন এবং যদি ঐ গুল ব্যবহার করেন তাহলে দেখবেন যেন কোন ধরনের হাইড লিংক না থাকে।
  • নিয়মিত কন্টেন্ট দিতে থাকেন। আগেই বলছি লেখার মধ্যে কিওয়ার্ড ব্যবহার করেন কিন্তু কোন ভাবেই যেন সেটা কিওয়ার্ড স্পামিং এর পর্যায় না পড়ে।
  • কখনই আপনার লেখা যেন কোন ছবির মধ্যে না থাকে। মনেকরেন, আপনার সম্পূর্ণ লেখটা একটা সাদা কালো ছবির উপরে লেখা। এবং সেখানে আপনি আপনার বিজনেসের যোগাযোগের ঠিকানা দিয়ে দিছেন। আপনার যদি মনেহয় আপনার বিজনেসের যোগাযোগের ঠিকানাটা ইনডেক্স হওয়া দরকার, তাহলে অবশ্যই সেটা যেন টেক্সট ফরমেটে লেখা হয়। আপনার বিজনেসের লোগোর মধ্যে দিয়ে কোন লাভ নেই।

এখন কথা হল, এই খানে আমি যে গুল উল্ল্যেখ করছি এই গুলাই কিন্তু শেষ না। আপনি যদি প্রত্যেকটা সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবমাস্টার গাইড লাইন পড়েন এবং সে গুল অনেক ভাল ভাবে বুঝতে পারেন তাহলে আপনি এসইওতে ভাল করবেন, গ্রান্টি ১০০%।

“তাহলে কি আমার উপরের ওয়েবমাস্টার গাইডলাইন ছাড়াও আর পড়া লাগবে এবং পড়ার আছে?”

আপনার মনের মধ্যে যদি উপরের প্রশ্নটা ঘুরতে থাকে। তাহলে উত্তর “অবশ্যই, আপনাকে আরো পড়তে হবে।”

এক্সপেরিমেন্টঃ

আসেন একটা এক্সপেরিমেন্ট করে দেখা যাকঃ

  • “jkhsghjfdg” এই রকম কোন একটা কিওয়ার্ড নিয়ে ডোমেইন রেজিস্টার করেন। এই কাজটা আপনি ব্লগস্পট করতে পারেন।
  • এখন কিছু পেজ করে ফেলেন
  • এই বার কিছু কন্টেন্ট দিয়ে দেন এবং সাথে সাথে ঐ কিওয়ার্ড ব্যবহার করেন।
  • সার্চ ইঞ্জিনে ইনডেক্স হওয়ার পর প্রত্যেকটা পেজের রাঙ্কিং লিখে রাখেন।
  • এর পর সোশ্যাল মিডিয়াতে পেজ ওপেন করে, ধিরে ধিরে আর্টিকেল গুলা শেয়ার করেন এবং পেজ রাঙ্কিং গুল লিখে রাখেন।
  • সময় থাকলে কিছু ব্যাকলিংক করে দেন।
  • কোন একটা আর্টিকেল ১০০০+ ওয়ার্ড দেন, আবার কোনটা ৩০০ শব্দের।

এই ভাবে আপনার মনের মত করে কয়েক দিন এক্সপেরিমেন্ট করে ফেলেন। তখন দেখবেন, আপনি নিজেই বুঝতে পারছেন সার্চ ইঞ্জিনে ভাল করার জন্য আসলে আপনার কি করা দরকার?

এসইও হাতে খড়ি – অধ্যায়ঃ শূন্য

আর্টিকেল পড়ার নিয়মাবলী

জুনিয়ার এসইও প্রফেশনাল টাস্ক লিস্ট এবং ফ্রি এসইও অনলাইন কোর্স ও সাপোর্ট

এসইও এর জগতে একদমই নতুন? ভাবছেন এসইও খায় নাকি মাথায় দেয়। তাহলে এই গাইড আপনার জন্য। আমি এই খানে চেষ্টা করব সব কিছু যতটা সম্ভাব সহজ ভাবে উপস্থাপন করার জন্য। আর একটা কথা, আপনই যদি বিগিনার লেভেল ইতিমধ্যে পার করে আসেন, তাহলে এই গাইডটা আপনার জন্য বেশি একটা সুবিধাজনক হবে না।

এই গাইডটা বিগিনারদের জন্য একদম পারফেক্ট। তবে আপনার যদি মনেহয় আপনি কুয়ালিটি এসইও কি ভাবে করতে হয় চিন্তা করছেন তাহলে সমাধান এই খানে পাবেন বলে আশা করি।

এসইও কি?

আপনি যদি কখন গুগলে কোন কিছু লিখে সার্চ করেন তখন গুগল আপনাকে প্রথম পেজে তার বাছাই করা শ্রেষ্ঠ ফলাফল গুল দেখাব।এসইও করার মুল কাজ হল অরগানিক সার্চ রিজাল্টে ভাল করাআপনি যদি উপরের ছবিটা খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন একটা অরগানিক অন্যটা পেইড। আমাদের এসইও এর কাজ হল অরগানিক ফলাফলে ভাল করা। এসইও নিয়ে কাজ করা মানে হল সাইটের ভাল র‍্যাকিং করা, ট্র্যাফিক নিয়ে আসা এবং সার্চইঞ্জিনে কখন কি পরিবর্তন আসছে সে গুল সম্পর্কে সব সময় নিজেকে আপডেট রাখা।

নিজের সাইটের আর্টিকেল গুল কেমন হবে থেকে শুরু করে অন্যের সাইটে লিঙ্ক করা পর্যন্ত সব কিছু এসইও এর মধ্যে পড়ে। তবে সবার আগের কথা হল আপনার ওয়েবসাইট যেন সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি হয়।

সার্চ ইঞ্জিন এবং ভিজিটর দুজনকেই আপনি যদি সন্তুষ্ট করতে পারেন তাহলেই আপনার টার্গেটে পৌছে জাবেন

তবে, আপনাকে অন্য একটা কথা সবসময় মাথায় রাখতে হবে আপনি সার্চ ইঞ্জিনের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করেন নাই। তাহলে এসইও মানেহল সার্চ ইঞ্জিন এবং ভিজিটর দুইজনকেই সন্তুষ্ট রেখে ওয়েবসাইটের কাজ করা।

এই গাইডে এসইও এর সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে- কিওয়ার্ড রিসার্চ থেকে শুরু করে সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরি, লিঙ্ক বিল্ডিং এবং সাইটের মার্কেটিং।আপনার যদি এসইও নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকে অথবা সাহায্যের দরকার হয়। তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

আপনার কোন খানে যদি বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে চিন্তা করার কিছু নাই, আমারা আছি। চেষ্টা করব আপনার সব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য।

সাইটে এসইও কি কারণে করা লাগে?

যদি আমি এসইও না করি তাহলে কি হবে? এইটা একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করছেন। আপনি যখন কোন কিছু লিখে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করেন তখন আপনার লেখা প্রশ্নের উপর ভিত্তি করে সার্চ ইঞ্জিন উত্তর গুলর লিঙ্ক আপনার সামনে এনেদেয়। মনেকরেন, আপনি ওয়েটলস প্রডাক্টের উপর একটা ওয়েবসাইট বানালেন।

আর যদি আপনার সাইট কয়েকটা কিওয়ার্ড ভাল ভাল সার্চইঞ্জিনে (গুগল, বিং এবং ইয়াহু) ১ নাম্বারে থাকে তাহলে আপনার সেল কি পরিমাণে হতে পারে, আর যদি লাস্টের দিকে থাকে তাহলে কেমন হতেপারে।

তবে এই খানে সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও ভিজিটর পেতে পারেন, তবে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটের প্রধান হাতিয়ার ভিজিটর আনার জন্য। আপনি যে কোন কিছু নিয়ে সাইটে করতে পারনে (ব্লগিং, সার্ভিস, প্রোডাক্ট, ইনফর্মেশন, অথবা যে কোন কিছু), তবে সার্চ ইঞ্জিনে ভাল না করতে পারলে একটা বড় সুবিধা আপনি হারাবেন।

সার্চ ইঞ্জিনের সব থেকে বড় একটা গুন হল আপনাকে একদম টার্গেট ভিজিটর দিবে। মানেহল, কোন মানুষ যদি এখন গুগলে ভাল মানের সার্ট কোন খানে পাওয়া যায় লিখে সার্চ করে এবং আপনার ঠিকানা যদি গুগলে এক নাম্বারে থেকে, তাহলে ঐ ভিজিটর আপনার কাছ থেকে সার্ট কেনার সম্ভবনা অনেক বেশি।

আপনার সার্ভিস খুঁজে বের করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন সব থেকে ভাল একটা মাধ্যম। আপনার ওয়েবসাইট যদি সার্চ ইঞ্জিন খুঁজে না পায়, তাহলে আপনি অনেক ভাল একটা সুযগ থেকে নিজেকে বঞ্চিত করছেন।

এই ক্ষেত্রে সার্চ কয়ারি সব থেকে বড় ভুমিকা পালন করে। কোন একটা কোম্পানি হটাত করে বুম হওয়ার পেছনে অনেক বড় ভুমিকা পাল করে। কোন একটা কম্পানির কিওয়ার্ড যখন সার্চ ইঞ্জিনে অনেক ভাল পজিসনে থাকে তখন ভিজিটর তার ওয়েবসাইট সহজে যাবে এইটা স্বাভাবিক এবং জার ফলাফল কল্পনাতীত।

টার্গেট ভিজিটর যদি কোন ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমাণে যায় তাহলে সাইটের প্রচার, লাভ দুইটা এক সাথে হবে। শুধু মাত্র এই  কারণে বড় বড় সার্ভিস কোম্পানি গুল এসইও কে খুব গুরুত্ব দেয়। এই খানে একটা কথা বলে রাখা ভাল, এসইও কিন্তু মার্কেটিং এর একটা অংশ। আপনি বিভিন্ন ভাবে ইচ্ছা করলে আপনার পণ্যের মার্কেটিং করতে পারেন। তবে সব থেকে ভাল ফলাফল পাবেন এসইও থেকে।

এসইও না করলে কেন সার্চ ইঞ্জিন আমার সাইত খুঁজে পায় না?

ছোট বেলায় প্রথম যেদিন ক্যালকুলেটর দেখলাম সেদিন শুধু ক্যালকুলেটরের পেছনের দিকে তাকায় ছিলাম। দেখতে ছিলাম কেউ পেছনে ছোট হয়ে বসে আছে কিনা। আতসি কাঁচ নিয়ে এসে দেখছি, কিন্তু কেউ নাই।

তখন মনেকরতাম ক্যালকুলেটর কি পরিমাণে মেধাবি, আমি পুরাই একটা গাধা। সে স্কুলে না যেয়েই কত সুন্দর যোগ, বিয়গ গুল দ্রুত করে দেয়। আর আমার করতে গেলে অনেক সময় লাগে। তার কিসুদিন পরে যখন প্রোগ্রামিং এর সাথে পরিচয় তখন বুঝতে পারি আসলে ব্যাপারটা কিছিল।

এইখানেও ব্যাপারটা থিক ঐ রকম। সার্চ ইঞ্জিন অনেক স্মার্ট কিন্তু এত স্মার্ট না যে সে একা একা সব কিছু করতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন গুলর কাজ হল আপনার সাইটকে ক্রল করা এবং ভাল ফলাফল ইউজারকে প্রদান করা।

আপনি যদি ভাল ভাবে এসইও করতে পারেন তাহলে  যেমন হাজার ভিজিটর পাবেন এই কথা যেমন সইত্য, ঠিক তেমনি কোন ধরনের উল্টা পাল্টা করলে সার্চ ইঞ্জিনের বাইরে চলে জাবেন এই কথাও কিন্তু সইত্য।

আমি কি একা এসইও করতে পারব?

এসইও এর জগতা অনেক জটিল হলেও, এর বেসিক খুবিই সোজা। আপনি যদি অনলাইনে একটু খুঁজাখুঁজি করেন তাহলে অনেক ভাল মানের রিসোর্স পাবেন। তার সাথে আপনি একটু সময় দিলেই ভাল কিছু করা সম্ভাব।

তবে সব কিছু নির্ভর করছেঃ

  • আপনি কি পরিমাণে সময় দিতে রাজি
  • সেখার আগ্রহ কতটুকু
  • এবং আপনার সাইট কতটা সহজ সরল

তবে আপনি ইচ্ছা করলে একজন এক্সপার্টকে নিতে পারেন এই কাজ করার জন্য। তবে এই খানে ফার্ম টূ ফার্ম তাদের প্ল্যান ভেরি করে। এই ক্ষেত্রে আপনি যত ভাল ফার্ম বাছাই করবেন তত আপনার জন্য শুভ।

কেউ যদি আপনাকে অপ্ল বাজেটে দ্রুত ভাল পজিশনে এনে দিতে চায়, তাহলে টাকা, সময় হারাবেন। সুতরাং চেষ্টা করেন ভাল ফার্ম বাছাই করার।

এই গাইডের কোন অংশ আমার পড়া উচিৎ?

আপনি যদি আসলেই ইচ্ছা থাকে ভাল ভাবে এসইও শিখবেন, তাহলে কোন কিছু বাদ দিয়েন না। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভাল ভাবে পড়ে ফেলুন। আপনি ইচ্ছা করলে এই খান থেকে প্রিন্ট করার জন্য একটা পিডিফ ভার্সন ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

তবে চেষ্টা করেন, নিজে সেখার সাথে সাথে অন্যকে সেখার জন্য। তাহলে, দেখবেন অনেক ভাল ভাবে সিখতে পারছেন।

এই গাইডের প্রত্যেকটা অধ্যায় গুতুত্বপূর্ণ, আপনি যদি ভাল ভাবে এসইও শিখতে চান। আর না চাইলে, কোন অধ্যায়ই গুরুত্বপূর্ণ না।