যে কারণে লং কুয়ালিটি আর্টিকেলে আপনি বেশি গুরুত্ব দিবেন – ৭

আর্টিকেল পড়ার নিয়মাবলী

জুনিয়ার এসইও প্রফেশনাল টাস্ক লিস্ট এবং ফ্রি এসইও অনলাইন কোর্স ও সাপোর্ট

“কনটেন্ট ইজ কিং” এই কথাটা শুনি নাই, আর অনলাইনে কাজ করে এইরকম মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আপনি যদি আমার অন্য লেখা গুল একটু খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন কোন আর্টিকেলই ১৬০০ ওয়ার্ডের নিচে পাবেন না।

আমার এক বন্ধু আমার কাছে প্রশ্ন করছিল, কেন আমি এই ধরনের বড় বড় আর্টিকেল গুল লিখি। তখন তাকে ফাইলামি করে বলছিলাম “লিখতে বসলে আর্টিকেল কখন অনেক বড় হয়ে যায়, বুঝতে পারি না।”

গত কয়েক দিন ধরে ভাবতে ছিলাম, ওর প্রশ্নের উত্তরটা দেয়া দরকার। পরে মনে হল, একটা আর্টিকেল লিখে ফেললে কেমন হয়। তাহলে, ওর জন্য বুঝতে সুবিধা হবে সাথে সাথে অন্য কারো যদি মনে প্রশ্নটা আসে তাহলেও উত্তর পেয়ে যাবে।

তাহলে, চলেন খুঁজে বের করার চেষ্টা করি একটা বড় আর্টিকেলের উপকারিতা। যে কারণে, আমি সব সময় চেষ্টা করি আর্টিকেল একটু বড় এবং ডিটেইলসে লেখার।

কনটেন্ট কি সত্যিই রাজাঃ

শার্পআইকিউ ২০১২ সালে একটা এ্যানালিসস করে। তাদের এ্যানালিসিসের প্লান টা ছিল ঠিক এইরকম। তারা ২০০০০ এর উপরে কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে এবং SERP আসা প্রথম ১০ রিজাল্ট পেজ গুল নিয়ে তারা এ্যানালিসস করে তাদের বৈশিষ্ট বের করার চেষ্টা করে।

সেখানে দেখা যায় যে কোন ধরনের কিওয়ার্ডের উপর যদি আপনি সার্চ করেন তাহলে প্রথম যে ১০ টা পেজ গুগল শো করে তার প্রত্যেকটা আর্টিকেলের ওয়ার্ড ২০০০+। আপনার ওয়েবসাইটে যত বেশি বড় এবং গুণগত মান সম্পন্ন আর্টিকেল থাকবে আপনি গুগলের কাছে তত ভাল লোক।

Source: SERPIQ
Source: http://blog.serpiq.com

আপনি যদি পাশের দেয়া গ্রাফটা একটু ভাল ভাবে খেয়াল করেন, তাহলে দেখবেন ১০ নাম্বারে থাকা আর্টিকেল ওয়ার্ড সংখ্যা ২০০০+। এর থেকে খুব সহজেই বোঝা যায় যে গুগল যে সব সাইটে বেশি বড় এবং ভাল মানের কনটেন্ট থাকে, তাকে বেশি প্রাধান্য দেয়।

আপনার ব্লগে কত গুল আর্টিকেল আছে এইটা গুগলের কোন মাথা ব্যাথা নেই। কিন্তু, আপনার ব্লগে যদি ৫০ টা ভাল কনটেন্ট থাকে তাহলেই যথেষ্ট। এর সব থেকে বড় উদাহরণ হল ব্যাকলিঙ্কো

আমি যখন  এই আর্টিকেল লিখতেছি তখন পর্যন্ত তার গুগল ইনডেক্স মাত্র ১১৮ কিন্তু এলক্সা রাঙ্ক ১৩৬০২। আর সব থেকে বড় কথা হল অনলাইনে ব্যাকলিংক বা লিংক বিল্ডিং এর কথা আলোচনা হবে কিন্তু সেখানে ব্যাকলিঙ্কো থাকবে না, এই রকম হওয়া সম্ভাব না।

বিশ্বাস না হলে, গুগল “backlink strategy” লিখে একবার সার্চ করে দ্যাখেন। আপনার বুঝতে আরো সুবিধা হবে।

তাহলে উপরের আলোচনা থেকে, আমাদের কাছে এখন দুইটা বিষয় পরিস্কারঃ

১। বেশি ডিটেইলসে লেখা এবং একটু বড় কনটেন্ট মামুর খুব প্রিয়।

২। আপনার সাইটে যত বেশি ঐ ধরনের আর্টিকেল থাকবে আপনার সাইট ভাল করার সম্ভবনা তত বেশি।

এর পর ব্রায়ান ডিন, ২০১৬ সালে একটা এ্যানালিসিস করে ঠিক আগেরটার মতি কিন্তু এইখানে ডাটা অনেক বেশি ১ মিলিয়ন। সেখানে দেখা যায়, অবস্থা আগের থেকে বেশি একটা পরিবর্তন হয়নি।

Source: http://backlinko.com/search-engine-ranking
Source: http://backlinko.com/search-engine-ranking

আপনি যদি উপরের চার্টটা একটু ভালে দ্যাখেন তাহলে ব্যাপারটা আরো ভাল ভাবে বুঝতে পারবেন। শার্প পেজে ১০ নাম্বারে থাকা আর্টিকেলের ওয়ার্ড সংখ্যা ১৭৫০+। আর সব থেকে বড় কথা হল যে সব পেজ গুগলের প্রথম পেজে শো করে ঐ সব আর্টিকেল গুলর গড় শব্দ সংখ্যা ১৮৯০।

আর আমি গুগলের কথা বাদ দিলাম, সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশি বড় আর্টিকেল গুল শেয়ার হয়ে থাকে বেশি। সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার এবং আর্টিকেলের কত টুকু বড় এই দুইটার মধ্যে পজিটিভ কো রিলেশন। মানে হল, আপনার আর্টিকেল যত বেশি বড় হবে, আর্টিকেল শেয়ার হওয়ার সম্ভবনা তত বেশি।

আর আর্টিকেল একটু বেশি বড়, বেশি রেফেরাঞ্চ, এইটা দেখে এত টুকু বোঝা যায়  এই ব্লগার তার কনটেন্টের ব্যাপারে একটু সচেতন। সে চায় তার কোন আর্টিকেল পড়তে এসে ভিজিটরকে যেন হতাশ হওয়া না লাগে।

বয়সের দোষঃ

আপনার বয়স বৃদ্ধি পাবে আপনার কথা বলার ধরণ পরিবর্তন হতে থাকবে। এই বিষয়টা আমার একটু ভাল বোঝার জন্য আমাদের ছোট বেলার দিকে ফিরে যেতে পারি। অথবা, আপনার বাসায় যদি কোন ছোট বাচ্চা থাকে তাহলে আপনার বুঝতে আরো সুবিধা হবে।

বাচ্চার আধ আধ বোকার মত কথা বলবে এইটাই আপনার কাছে স্বাভাবিক। একটু বয়স বেশি হলে ভাল ভাবে কথা বলতে পারবে কিন্তু বোকামিটা থেকে যাবে। এই বোকামিটা থেকে কাটায় উঠতে তার অনেক লেখাপড়া করা লাবে। ধীরে ধীরে সে চারিপাশের পরিবেশ সম্পর্কে বুঝতে শিখবে এবং কথার মধ্যে একটা লজিক লজিক ভাব চলে আসবে যা তার আগে ছিল না।

কিন্তু, আপনি যদি কোন বাচ্চাকে দ্যাখেন জন্ম থেকেই কোন আধ আধ কথা বলেনি, কথা বলতে গেলেই লেকচার শুরু করে দেয় ৭০ বছরের দাদুর মত। তাহলে, কিন্তু ঐ বাচ্চার কথা আপনার সব সময় মনে পড়বে। আপনি জিবনে অনেক বাচ্চা দেখছনে কিন্তু ঐ বাচ্চা সবার থেকে আলাদা। যখনই কোন খানে বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে আলোচনা হয় আপনি ঐ বাচ্চার কথা আলোচনা করনে। ঐ রকম বাচ্চা আপনি জিবনে আর একটাও দেখবেন না, এই ধরনের কথা থাকে।

আপনার ব্লগের ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা ঠিক ঐ একই রকম। আপনার ব্লগের বয়স যত বৃদ্ধি পাবে তত দেখেবন লেখার মান তত ভাল হচ্ছে। কারণ, তখন আপনার উপলব্ধি আগের থেকেও আর বেশি।

https://serpiq.com/
https://serpiq.com/

আপনি যদি পাশের ছবিটা একটু খেয়াল করেন তাহলে দেখবেন বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে আর্টিকেল এর ওয়ার্ড সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

সাধারণত যে সব নতুন ডোমেন গুল রাঙ্ক পেজে ভাল করে তাদের গড় পেজের ওয়ার্ড সংখ্যা ১৮০০। আর যে সব ডোমেইনের বয়স ১-১০ বছরের মধ্যে তাদের পেজের ওয়ার্ড সংখ্যা ২১০০। আর ১০+ যাদের বয়স তাদের কনটেন্ট এ ওয়ার্ড সংখ্যা ২৮০০।

উপরের ডাটা গুল কিন্তু শুধু মাত্র যে সব সাইট শার্প পেজে ১-১০ এর মধ্যে থাকে যে কোন কি ওয়ার্ডে।

আমার সাইটের বয়স সবে মাত্র ১৩ দিন। আমি এই খানে আমার প্রথম ব্লগ পাবলিশের দিন থেকে গুনা শুরু করছি। সুতরাং, আমাকে যদি গুগলের প্রথম পেজে আসতে হয় তাহলে প্রত্যেকটা আর্টিকেলের ওয়ার্ড সংখ্যা ১৪০০+ রাখতে হবে উপরের দেয়া তথ্য মতে।

বেশি লিংকঃ

যে কনটেন্টের মান যত ভাল ঐ কনটেন্ট তত বেশি লিঙ্ক হওয়ার কথা। এবং, বাস্তবে তাই হয়। মনেকরেন, আপনি অনেক ভাল ওয়ার্ডপ্রেসের ডেভালপার। এখন, আমি যদি কোন ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে জানতে চাই অবশ্যই আপনি এমন কোন জায়গা আমাকে রিফার করবেন না যেখান থেকে আমার জানা সম্পূর্ণ হবে না। আপনি চেষ্টা করবেন আপনার থেকেও কোন ভাল জায়গা রিফার করতে যেখান থেকে আমি সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর পাব ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে।

ঠিক এই ব্যাপারে মোয ভাইয়ের একটা অসাধারণ এ্যানালিসিস আছে তাদের ৫০০ ব্লগের উপর। সেখানে এ্যানালিসিসের ফলাফল ছিল এরকম বড় আর্টিকেলের সাথে ব্যাকলিংকের পজিটিভ রিলেশন। মানে আপনার আর্টিকেল যত বড়, ব্যাকলিঙ্ক বেশি হওয়ার সম্ভবনা তত বেশি।

https://moz.com
source:https://moz.com

পাশের ছবিতে ০-৪০০০০ হল শব্দ সংখ্যা এবং ০-৪৯৫ হল আর্টিকেল সংখ্যা। আসেন, আমার একটা উদাহরণ দিয়ে বোঝার চেষ্টা করি।

আপনি যদি ৫৮ সংখ্যার ঐ বিন্দুতে একটা লম্ব রেখা টানেন তাহলে দেখবেন রেখাটা হলুদ বর্ণের রেখাকে যে বিন্দুতে স্পর্শ করে ঐ বিন্দুটা ১০০০০ রেখার উপরে। তার মানে হল ৪৯৫ টোটাল আর্টিকেলের মধ্যে ৫৮ টা আর্টিকেল আছে যার প্রত্যেকটা আর্টিকেলের শব্দ সংখ্যা ১০০০০ এর উপরে।

এখন আমার উপরের ডাটাতে যদি শব্দের সংখ্যার ঐ খানে লিঙ্ক নিয়ে আসি তাহলে আমার বুঝতে পারব, ওয়ার্ডের সাথে লিঙ্ক হওয়ার রিলেশন ক্যমান?

 

source:https://moz.com
source:https://moz.com

আগের চার্টে আমরা দেখেছি আমাদের কাছে অন্তত ৫৮ টা আর্টিকেল ছিল যাদের প্রত্যেকের ওয়ার্ড সংখ্যা ১০০০০ এর উপরে। এই খানের চার্টে আমারা ৫৮ এর কাছকাছি সংখ্যা ৬১ কে ধরতে পারি। লিংকের ক্ষেত্রে ঐ ৬১ টা আর্টিকেলের প্রত্যেকের লিঙ্ক সংখ্যা ১৫০+।

আর আপনার যদি উপরের উদাহরণটা বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে একটা জনিস বুঝতে পারলেই হবে।

 

 

 

দুইটা চিত্রেই হলুদ রেখাটা নিচের দিক থেকে উপরে দিকে গেছে।

১। প্রথম চিত্রে যখন নিচে থেকে উপর দিকে যায়, তখন আর্টিকেল সংখ্যা কমতে থাকে। কারণ, বেশি বড় আর্টিকেল কোন সাইটে বেশি থাকে না।

২। দ্বিতীয় চিত্রে রেখা যত উপরের দিকে যায় বেশি লিংকের আর্টিকেল সংখ্যা তত কমতে থাকে।

উপরের ডাটা দেয়া তথ্য গুল যদি আপনি বুঝতে পারেন, তাহলে আপনি এখন সহজেই বুঝতে পারছেন আর্টিকেলের দৈর্ঘ্যের সাথে লিঙ্ক হওয়ার রিলেশন পজিটিভ।

সোশ্যাল মিডিয়াঃ

সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশি বড় আর্টিকেল গুল যে, বেশি পরিমানে শেয়ার হয় কি না এই নিয়ে নিউজহুইপের একটা ভাল এ্যানালিসিস আছে।

https://www.newswhip.com
https://www.newswhip.com

উপরের চিত্রে  ব্লু বার গুল শো করছে ওয়ার্ড আর নিচে শেয়ার সংখ্যা। যত ওয়ার্ড বাড়ছে শেয়ার সংখ্যা বেরে গেছে।

একটা কথা উল্ল্যেখ করতে ভুলে গেছি, এই এ্যানলিসিসটা করা ফেসবুকে শেয়ার করা ঘটনটার উপর।

তবে সব থেকে ভাইরাল হওয়া আর্টিকেলটা ৩৫৩৫ ওয়ার্ডের, যা ৩০০০০০ লাখের উপরে শেয়ার হয়।

আপনার যদি হাতে সময় থাকে তাহলে একটু বাজসুমো এর পেজ টা ওপেন করে যে সব আর্টিকেল গুল শো করে ঐ আর্টিকেল গুল একটু চেক করেন।

আর সার্চ ইঞ্জিনে আপনি কোন কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করলে কখন কখন দেখবেন শার্প পেজে সোশ্যাল  মিডিয়াকে ১-১০ এর মধ্যে রেখে দিছে।

কোন আর্টিকেলের ভাল র‍্যাঙ্কের কথা যখন আসবে তখন সোশ্যাল মিডিয়া একটা বড় ফ্যাক্ট। আর সোশ্যাল মিডিয়ার বড় ফ্যাক্ট হল বড় আর্টিকেল।

তাহলে, কেন আপনি ছোট আর্টিকেল লিখে আপনার সাইটের পেজের সংখ্যা বাড়াবেন।

সার্চঃ

মানুষ দিন দিন গত দিন গুলর থেকে বেশি ক্লাসিফাইড হচ্ছে। ঠিক আপনার মত। বিশ্বাস হচ্ছে না, তাইত? আপনিও যে আগের থেকে অনেক বেশি ক্লাসিফাইড হয়ে গেছেন তার একটা উদাহরণ দেখা যাক।

মনেকরনে, আপনি যদি ২০০৬ সালে একটা সেল ফোন কেনার কথা চিন্তা করতেন তখন হয়ত ভাবতেন একটা নোকিয়া ১১০০ মডেলের সেট হলে ভাল হত। কিন্তু, এখন যদি আপনার কাছে প্রশ্ন করি আপনি কোন ফোন কিনতে চান আমি নিশ্চিত সেই ১১০০ মডেলের কথা আর বলবেন না।

এর কারণ হল ঐ সময় আপনার শুধু কথা বলা দরকার ছিল। এখনকার স্মার্ট ফোন গুলতে অনেক সুবিধা। আপনি এখন আপনার বাজেটের সাথে তাল মিলিয়ে ফোন ক্লাসিফাইড করা শুরু করবেন। দেখবেন, ঐ দামের মধ্যে কোন স্মার্ট ফোন সব থেকে ভাল।

২০০৯ সালে যদি আপনি যদি গুগলে সার্চ করতেন তাহলে গুগল আপনাকে যত রেজাল্ট শো করতে পারত, এখন তার থেকে অনেক বেশি এখন শো করতে পারে। আর যে কারণে আপনার সার্চের ধরণ পরিবর্তন হয়ে গেছে।

২০০৯ সালে হয়ত আপনি সার্চ দিতেন “বেস্ট ফ্যাসান ফর ম্যান”, আর এখন দিয়ে থাকেন “বেস্ট ফ্যাসান ফর ম্যান ইন ২০১৬” হয়ত কিছু দিন পড়ে ঐ গুলর সাথে যোগ করে দিবেন জিন্স, টি-সার্ট আর কত কিছু যা আপনার ভাল লাগে।

এই যে পরিবর্তন কি হারে হচ্ছে এইটা হিটওয়াজের এ্যানালিসিস থেকে আপনি অনেক ভাল ভাবে বুঝতে পারবেন।

http://www.marketingpilgrim.com/2009/02/8-word-search-queries-up-34000-in-last-5-years.html
http://www.marketingpilgrim.com/2009/02/8-word-search-queries-up-34000-in-last-5-years.html

দিন দিন মানুষ কিওয়ার্ড যত সুজগ আছে তত ভাবে ক্লাসিফাইড করার চেষ্টা করছে। পাশের চিত্র দেখলে আপনি অনেক ভাল ভাবে বুঝতে পারবেন।

২ বা ৩ টা ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করার পরিমান দিন দিন কমছে, আর ৪,৫ শব্দের কিওয়ার্ড ব্যবহার করে সার্চ করার পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই ধারণা থেকেই লং টেইল কিওয়ার্ডের ব্যবহার করা শুরু। আপনি যদি লং টেইল কিওয়ার্ড ব্যবহার করেন তাহলে হয়ত বেশি ভিজিটর পাবেন না। কিন্তু, যাদেরকে পাবেন তারা কিন্তু আপনার মত ক্লাসিফাইড।

 

বেশি সেলঃ

ক্রেজি এগ এর একটা কেস স্টাডি আছে ঠিক এই বিষয়ের উপর। যে আসলেই কি হোমপেজে অনেক বেশি লেখা থাকলে কি কনভার্সন রেট বৃদ্ধি পায়? তাদের এ্যানালিসিস মতে ছোট লেখার থেকে, বড় লেখা ৩০% কনভার্সন রেট বৃদ্ধি করে।

source: http://www.wordstream.com/long-tail-keywords
source: http://www.wordstream.com/long-tail-keywords
source: http://www.wordstream.com/long-tail-keywords
source: http://www.wordstream.com/long-tail-keywords
source: http://www.wordstream.com/long-tail-keywords
source: http://www.wordstream.com/long-tail-keywords

উপরের ছবি গুল মার্কেটিং এক্সপেরিমেন্টের ঐ খান থেকে নেয়া। তাদের করা তিনটা টেস্ট দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন শর্ট কপি থেকে লং কপি কি পরিমানে প্রফিট বৃদ্ধি করে।

প্রথমে টেস্টে শর্ট থেকে লং এর ৪০.৫৪% বেশি কনভার্সন রেট। দ্বিতীয় টেস্টে তাদের পার্থক্য কপ্লনা অতীত। শর্ট কপিতে রিটার্ন অফ ইনভেস্টমেন্ট মাইনাস ৬৬% কিন্তু লং কপিতে পজিটিভ ৫০%। আর লাস্ট টেস্টে লং কপি শর্ট কপি থেকে ৪৫.৪৫% বেশি কনভার্সন রেট।

তাহলেঃ

এখন মনেহয় আপনি খুব ভাল ভাবে বুঝতে পারছেন কেন মানুষ বড় বড় আর্টিকেল লেখে। যদি আপনি ভাল কনভার্সন রেট চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই বড় আর্টিকেল লিখতে হবে।

এখন আপনি মোটামুটি প্রস্তুত যে, এই আর্টিকেল পড়া শেষ হলেই নতুন করে একটা বড় আর্টিকেল লেখা শুরু করবেন।

ভাই, খাড়ান। কথা আছে।

গাজীর পাঠঃ

একটা নতুন ডোমেইন কিনলেন, হোস্টিং করলেন আর ১০০ হাই পেইড কিওয়ার্ড বাছাই করে। একজনরে ১০০ টাকা দিয়ে কইলেন ভাই “আর্টিকেল স্পিন করা শুরু কর”। আর কয়েক দিনের মধ্যেই হয়ে গেল আপনার ১০০ পেজ যার প্রত্যেকটার আছে একটা করে ২০০০ ওয়ার্ডের আর্টিকেল।

কিন্তু, উস্তাদ আমি কোন খানে বলি নাই যে শুধু মাত্র ওয়ার্ড হলেই হবে। মানুষ কিন্তু শুধু ওয়ার্ড পড়তে আপনার কাছে আসে নাই। আপনার আর্টিকেল যদি ভাষাকে রেফ করে ফেলে তাইলে ভিজিটর আপনারে রেফ করে চলে যাবে “গ্রান্টি”।

কনভার্সন রেটের ক্ষেত্রে কখন কখন লং কপি ভাল কাজ করে না। কোন কপি ভাল কাজ করে এর জন্য ভাল হয় আপনি যদি কিছু টেস্ট করেন।

আর লং কপি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাল কাজ করার পেছনে আপনার সাইটের সোশ্যাল মিডিয়ার অবস্থা ক্যমান এইটা অনেক বড় ভুমিকা পালন করে। কিন্ত, এ কথা সইত্য যে বড় আর্টিকেল গুল ছোট গুল থেকে বেশি ভাল করবে।

ফালতু পেচাল কমান। আপনার কাছে যদি মনেহয় কোন আর্টিকেল আপনি ২০০ ওয়ার্ডের মধ্যে শেষ করলেও ভিজিটের বুঝতে কোন অসুবিধা হবে না, তাহলে তাই করুন।

আপনার ভিজিটর ঠিক থাকলে, মামু নিজেই ঠিক হয়ে যাবে।

আসা করি আপনাকে আমি বোঝাতে সক্ষম হয়েছি আমি কেন আর্টিকেল গুল একটু বেশি পরিষ্কার করে লিখতে চাই।

আপনার অভিজ্ঞতা কেমন?

আপনার যদি কোন প্রশ্ন, সাজেশন থাকে অবশ্যই কমেন্ট করুন।

আর আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।

আপনার অনলাইন জীবন সুখের হউক।

Author: Biddrup

Biddrup.com helps people get traffic with content.