Don’t Just Sit There! Start Link Building SEO Tools

In this article, I am trying to make a list of link building tools what could help you to make a better link building strategy. So, let’s start:

  1. Free

    1. LinkMiner
    2. Siege Media Embed Code Generator
    3. Check My Links
    4. Domain Hunter Plus
    5. Quick URL Opener
  2. Paid

    1. Buzzstream
    2. Content Marketer
    3. Muck Rack
    4. Pitchbox
    5. Whitespark
    6. AuthoritySpy
    7. Citation Labs’ Broken Link Finder
    8. Citation Labs’ Link Prospector
    9. GroupHigh
    10. Inky Bee
    11. Linkbird
    12. Linkody
    13. Linkstant
    14. Muck Rack
    15. Ninja Outreach
    16. Outreachr
    17. Remove’em
    18. ScrapeBox
    19. Link Research Tools
    20. Monitor Backlinks
  3. Freemium

    1. HARO (Help a Reporter Out)
    2. Rmoov
    3. Ahrefs
    4. Free Broken Link Checker
    5. Ontolo
    6. Majestic SEO
    7. Open Site Explorer
    8. Raven Tools
    9. SEOMoz PRO

 

লিংক বিল্ডিং সেই গগনচুম্বী নীতি – ৩

আর্টিকেল পড়ার নিয়মাবলী

জুনিয়ার এসইও প্রফেশনাল টাস্ক লিস্ট এবং ফ্রি এসইও অনলাইন কোর্স ও সাপোর্ট

আমি মহা কোন গুরু নই। কিন্তু, প্রত্যেকদিন ভালবাসার জিনিসের সাথে সময় কাটাতে ভালবাসি। সেই খান থেকেই এসইও শেখার চেষ্টা করা।

এসইও = প্রতিপক্ষের থেকে (ভাল লেখা + ভাল ব্যাক লিংক + ভাল সোশ্যাল মিডিয়া)

আমি নীল পাতিল এবং ব্রায়ান ডিনের একজন অন্ধ ভক্ত।

ব্রায়ান ডীনের লিংক বিল্ডিং এর skyscraper-technique (গগনচুম্বী) নীতিটা আমার খুব পছন্দ। আসেন এই গগনচুম্বী নীতিটা কি এবং কেন কাজ করে সে বিষয়ে একটু জানার চেষ্টা করা যাক।

বেশির ভাগ অনলাইন মার্কেটর মনে করেন, আপনার কাছে যদি ভাল লেখা থাকে তাইলে আপনার কাছে সব আছে। এই কথার পেছনের যুক্তি হল আমার কাছে যদি ভাল আর্টিকেল থাকে মানুষ আমাকে এমনিতেই লিংক করবে।

ব্যাপারটা অনেকটা অ্যাপেল এর পণ্যের মত। মানুষ সব সময় চেষ্টা করে তার কাছে যদি একাটা অ্যাপেল এর পণ্য থাকত। অ্যাপেল এর পণ্যের প্রতি মানুষের এত আকৃষ্ট হওয়ার পেছনের কারণ কিন্তু তাদের পণ্যের গুণ তার প্রতিপক্ষের পণ্য থেকে অনেক বেশি ভাল।

কিন্তু, আপনার কি মনে হয় অ্যাপেল কোন বিজ্ঞাপন দেয় না? অ্যাপেল অবশ্যই বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে তাদের বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য যখন তারা নতুন পণ্য বাজারে নিয়ে আসে। এই খানে আপনার নতুন লেখা কোন ব্লগ কে অ্যাপেল এর আনা নতুন পণ্যের সাথে তুলনা করতে পারেন।

আপনি যদি ভাল মানের লিংক সৃষ্টি করতে চান, তাইলে অবশ্যই আপনাকে একটা ভাল মানের প্লান বানাতে হবে আপনার আর্টিকেল লেখা এবং তার প্রমোশনের জন্য। আপনি যদি কোন ভাল মানের প্লান মাফিক না চলেন, তাহলে আপনার সময় + টাকা এক সাথে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি, আর কাছে আসবে হতাশা। আর এই হতাশায় যেন না পড়া লাগে, তার জন্য আপনি ব্রায়ান ডিনের গগনচুম্বী নীতি ব্যবহার করতে পারেন। এই প্লান আপনাকে প্রায় গ্রান্টি দিবে যে আপনার প্রত্যেকটা পাবলিশ আর্টিকেল ভাল করবে।

গগনচুম্বী প্ল্যানের মূলনীতি হল তিনটাঃ

  • আপনার কিওয়ার্ড উপর সব থেকে ভাল লেখা গুল খুজে বের করেন
  • এখন ঐ লেখা গুলর থেকেও একটা ভাল আর্টিকেল লিখে ফেলান
  • এইবার আপনার লেখা প্রমসনের কাজে লেগে যান

এখন আপনার মনে হতে পারে, এই গগনচুম্বী নীতি যে কাজ করবে তার নিশ্চয়তা কি? আপনার প্রশ্নটা যুক্তি সঙ্গত।

এই নীতির মুল মারণাস্ত্র হল আপনার লেখা আপনার প্রতিপক্ষের থেকে অনেক ভাল।

আপনি গুগল সার্চ যখন করেন তখন আপনার মুল উদ্যেশ্য যেমন থাকে সব থেকে ভাল সমাধানটা খুজে পাওয়া, গুগল এরো মুল উদ্যেশ্য আপনাকে সব থেকে ভাল আর্টিকেলটা দেখান।

আপনার প্রতিপক্ষের থেকে আপনার কাছে যদি ভাল আর্টিকেল থাকে তাহলে গুগল আপনার আর্টিকেল ভাল রাঙ্ক করতে একটুও কার্পণ্য করবে না।

আসেন এখন দেখা যাক গগনচুম্বী নীতির ধাপ গুলাঃ

১। সব থেকে ভাল আর্টিকেলঃ

এসইও এর উপর আমি অনেক গুলা বাংলা টিউটোর‍্যাল দেখছি। এর মধ্যে আমার সব থেকে ভাল লাগছে কাদের ভাইয়ের করা আইটিবাড়ির ভিডিও গুল। এখন যদি আমার কাছে কেউ জিজ্ঞেস করে যে এসইও শিখতে চাই, কার ভিডিও গুল দেখলে ভাল হবে আমি আইটি বাড়ির টিউটোরিয়াল এর কথা বলে।

এই খানে আমি হলাম লিংক, আর কাদের ভাইয়ের ভিডিও গুল হল লিংক করার মত আর্টিকেল। যাকে ইংলিশে বলে “Proven Linkable Assets”.

এখন মনে করেন আপনি এসইও এর উপর ভিডিও টিটোরিয়াল বানানোর চেষ্টা করছেন। তাহলে আপনার প্রথম কাজ হবে মার্কেটে যেসব ভিডিও গুল ভাল সেল হচ্ছে সেই ভিডিও গুল আগে দেখা এবং তার থেকে আরাও ভাল ভিডিও বানান। আর তা যদি না করতে পারেন, তাহলে মানুষ টাকা খরচ করে আপনার ভিডিও কেন কিনবে?

এখন কথা হল, আপনি যে কিও্যারড ঠিক করছেন, তার জন্য সব থেকে ভাল কন্টেন্ট কোনটা? এই ভাল আর্টিকেল খুজে বের করার জন্য জন্য আপনি এএইচ্রেফ ব্যবহার করতে পারেন।

ঐ খানে প্রত্যেকটা আর্টিকেল এর ব্যাক্লিঙ্ক এবং রেফারিং ডোমেইন দেয়া থাকে, আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন কোন আর্টিকেল অনেক দিন ধরে ভাল অবস্থেনে থাকার কারণ কি?

এ ছাড়াও আপনার নিস মার্কেটের উপর যে সব ওয়েবসাইট গুল ভাল করছে তার প্রত্যেকটা সাইটের টপ পেজ গুল খুজে বের করতে পারেন।

কোন আর্টিকেল সোশ্যাল মিডিয়াতে কত বেশি আলোচিত এইটা বের করার জন্য আপনি বাজসুমো ব্যবহার করতে পারেন। এইটা অসধারন একটা টুলস।

আমার বাজসুমো সম্পর্কে কোন অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু, এএইচ্রেফটা অসধারন। এএইচ্রেফ কিন্তু টাকা দিয়ে ব্যবহার করা লাগে। আমার গুরু দেব (রবার্ট নিউম্যান), ঐ খানে একটা অ্যাকাউন্ট করে দিছিলেন শেখার জন্য।

তবে আপনার জন্য সমধান হল, আপনি ডিরেক্ট আপনার কিওয়ারড দিয়ে গুগল সার্চ করেন, গুগল বলে দিবে কোন আর্টিকেল গুলা বেস্ট লিস্টে আছে।

২। আরো ভাল কিছু করঃ

এখন আপনার কাছে সব থেকে ভাল কন্টেন্ট গুলার একটা লিস্ট আছে। এইবার আপনার কাজ হল ঐ আর্টিকেল গুলর থেকেও আরো ভাল একটা আর্টিকেল লেখা।

মনেকরেন, আপনি বাংলায় এসইও টিপসের উপর একটা আর্টিকেল লিখছেন। খুজে দেখলেন সব থেকে ভাল আর্টিকেলটা ২০ টা টিপস নিয়ে আলোচনা করছেন। এখন আপনার কাজ আর্টিকেল টা কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছে সেই বিষয় গুলর সাথে আরো কিছু নতুন যোগ করে আরো ভাল একটা আর্টিকেল করা।

প্রথম যখন এসইও শেখা শুরু করি, তখন চিন্তা করতাম গুগল Algorithm  যে সব ভেরিয়াবেল গুল যাচাই করে একটা আর্টিকেলর ক্রম নিধারন করে তার যদি একটা লিস্ট পেতাম তাইলে খুব ভাল হত। তারপর ব্রায়ান ডিনের করা একটা লিস্ট পাই। পরে আমি তার একটা ক্লাসিফাইড ভার্সন নিজের মত করে লিখে ফেলি। সম্পূর্ণ আমার নিজের ধারণার উপর নির্ভর করে। আর্টিকেল আপনার প্রতিপক্ষের থেকেও ভাল করার প্লানটা ঠিক এইরকম।

আপনার আর্টিকেল যেন আপনার প্রতিপক্ষের আর্টিকেল থেকে বেশি লম্বা, ভাল ডিজাইন এবং তথ্য গুল আপডেট হয়।

৩। ঠিক মানুষ ধরেনঃ

এখন আপনার কাজ হল ঠিক মানুষ ধরা যারা আসলেই আপনার আর্টিকেল খুঁজছে। এখন আপনার কাজ হল অন্যলোকে আপনার আর্টিকেল কে লিংক করতে বলা। সবাই বলে, কিন্তু আপনি বলবেন সবার থেকে একটু ভিন্ন ভাবে।

প্রথেম আপনার নিসের উপর সব থেকে ভাল সাইট গুল খুজে বের করেন। তারা আপনার লেখার বিষয়ের ব্যাপারে আগ্রহী। আপনার প্রতিপক্ষের লেখা আর্টিকেলটা তিনি এর মধ্যে লিংক করছেন। এখন শুধু তাকে বলা যে আপনার আর্টিকেলটা অসাধারণ।

এখন এই সাইট গুল আপনি কই পাবেন? সোজা এএইচ্রেফের কাছে চলে যান, আপনার প্রতিপক্ষরা যেখানে লিংক করছে, ঐ প্রত্যেকটা সাইটের মালিক কে মেইল করেন।

মনেকরেন, আপনি ১০০ ওয়েবসাইট পাইলেন। এখন, আপনার কাজ হল সবাইকে মেইল করা। এখন যদি ১০ জন আপনার আর্টিকেল লিংক করতে রাজি হয় তা হলেই কেল্লাফতে।

মনেকরেন, আপনার ওয়েবসাইট ১০টা আর্টিকেল আছে আর প্রত্যেকটার জন্য ১০ টা ব্যাকলিংক আছে। সব মিলিয়ে ১০০ রেফেরিং ডোমেইন। এইখানে লিঙ্কের সংখ্যা কম হতে পারে কিন্তু সব গুলা গুণগত মানে ১০০% BSTI পরিক্ষিত।

গুগল খুব ভাল ভাবে জানে, ভাল লিঙ্কের মুল্য কি ভাবে দিতে হয়।

শেষকথা, এখন আপনার পালা আপনি কি ভাবে এইডা ব্যবহার করবেন।

প্রস্তুত?

আশা করি, ভাল ফলাফল পাবেন।

অবশ্যই, কমেন্ট করতে ভুলবেন না। কোন উপদেশ, প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন।

আপনার অনলাইন জীবন সুখের হউক।

আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।

চৌধুরী সাহেবের ব্যাকলিংক কৌশল (আপডেট ২০১৬) – ১

আর্টিকেল পড়ার নিয়মাবলী

জুনিয়ার এসইও প্রফেশনাল টাস্ক লিস্ট এবং ফ্রি এসইও অনলাইন কোর্স ও সাপোর্ট

ব্যাকলিংক এর কথা মাথায় আসলেই প্রথম যে বিষয় গুল মাথায় আসে- গেস্টপোস্টিং এবং ব্লগ কমেন্ট। কিন্তু,

আপনি যদি অনেক বেশি কমপিটেটিভ কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করেন তখন ঐ প্লান দুইটা নিয়ে কাজ করে সফল হওয়া একটু কঠিন হয়ে যাবে। তাইলে, আমার এখন কি করব?

ব্যাকলিংক এর মুল কাজ কিন্তু আপনার লিংক অন্যকোন সাইটে বসান। যে লিংক ফলো করে ভিজিটর আপনার সাইটে আসতে পারবে।

পোস্টটি ডাউনলোড করতে এই খানে ক্লিক করুন।

আসেন, তাইলে দেখা যাক ব্লগ পোস্টিং এবং কমেন্টিং ছাড়া আমার আর কোন কোন উপায়ে ব্যাকলিংক করতে পারি।

টেস্টিমোনিয়ালঃ

মনে করেন, আপনার একটা হেলথ টিপস এর উপর ব্লগ আছে। এখন আপনার কাজ হবে হেলথের উপর সে সব প্রোডাক্ট গুল ভাল করছে তার একটা তালিকা করে ফেলান। এরপর প্রোডাক্ট গুল ক্রয় করেন।

এখন আপনার কাজ হল প্রত্যেকটা প্রডাক্টের একটা করে টেস্টিমোনিয়াল লিখে ফেলান। সেখানে প্রোডাক্টটা কত ভাল কাজ করছে, আরও কি হলে আপনি খুসি হতেন সে গুল উল্ল্যেখ করার চেষ্টা করেন। আর আপনি যদি শুধু গুণগানই করেন তাহলে অনেকের কাছে ফেক ফিডব্যাক মনে হতে পারে।

তবে যদি আপনি সব গুণগান করে লিখে ফ্যলান তাতেও কোন সমস্যা নাই। এখন, ঐ প্রোডাক্ট কোম্পানির দরকার আপনার সম্পূর্ণ পরিচয় যা তারা তাদের টেস্টিমোনিয়াল পেজে ব্যবহার করতে পারবে আপনারটা যখন পাবলিশ করবে।

এই সুজগটা, আপনি এইবার কাজে লাগান। আপনার সাইটের লিংক দিয়ে দেন। কাজ হয়ে গেল।

যেহেতু, আপনার টেস্টিমোনিয়ালটা একটু অতিরঞ্জিত টাইপের, এই জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করা যায় এমন সুযোগ রেখেই তারা আপনার টেস্টিমোনিয়ালটা পাবলিশ করবে।

আর সাথে সাথে হয়ে, যাবে অনেক ভাল রাঙ্কের কোন সাইটে আপনার সাইটের ব্যাকলিংক।

ফ্রী রিভিউঃ

এইবারের কাজটা ঠিক আগের টিপসের উলট দিখ। মনে করেন, আপনি কোন প্রোডাক্ট সেল করছেন। এখন আপনার কাজ হল আপনার প্রডাক্টের নিসের উপর ভাল কিছু ব্লগার খুঁজে বের করা। যারা নিয়মিত তাদের ব্লগিং করে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের টিপস দিয়ে থাকে।

একটা সুন্দর মেইল লিখে ফেলান। যেমনঃ

হ্যালো (ব্লগারের নাম),
আমি গত কয়েক দিন ধরে ওজন কমানোর টিপস নিয়ে আলোচনা করছে, এইরকম কিছু ব্লগ খুজছিলাম খুঁজতে খুঁজতে আপনার ব্লগে আইসে হাজির হলামআপনার ব্লগটা এক কথায় অসধারনআমি নিজে একজন ওজন কমানো বিশারদ একটা বই লিখছি কি ভাবে ৩০ দিনে ওজন কমান সম্ভাভ তার উপর আমার বই আপনি আমাজন থেকে কিনতে গেলে $12 লাগবে কিন্তু আমি আপনাকে ফ্রী দিতে চাইআপনি শুধু মাত্র পড়ে দেখার পর যদি দ্যাখেন আমার লেখা যুক্তি সঙ্গত, তখন একটা রিভিউ লিখে আপনার ব্লগে প্রকাশ করবেনআপনার উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম,
ভাল থাকবেন,
আপনার নাম

এই খানে একটা কথা মনে রাখবেন কখনই  ফেক রিভিউ দেয়ার চেষ্টা করবেন না। গুগল কিন্তু ফেক রিভিউ লেখা পছন্দ করে না। কিন্তু, এই খানে আপনি সেই ফেক রভিউ তাকে লিখতে বলেন নাই।

আপনার প্রোডাক্ট ঐ ব্লগার আগে ব্যবহার করেবে, তারপর রিভিউ লিখবে। এই ব্যাপারটা তার সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত। এই খানে আপনার কোন হাত নাই।

কিন্তু, একবার চিন্তা করে দ্যাখেন আপনি ১০০ ব্লগারের একটা লিস্ট করলেন যাদের মাসে ভিজিটর ৩০,০০০+। তারা প্রত্যেকেই সপ্তাহে দুই থেকে তিনটা করে ব্লগ পোস্ট তাদের ব্লগে পোস্ট করে।

তাহলে, প্রত্যেক মাসে তাদের ব্লগ সংখ্যা হবে ১২টা যার মধ্যে আপনার একটা।

১০০ ব্লগারকে আপনার প্রডাক্ট ফ্রীতে  দিলে আপনার খরচ হবে $1200 কিন্তু একবার চিন্তা করে দ্যাখেন আপনার সেল হওয়ার পরিমাণ কেমন হতে পারে।

আসল কথা হইল, আপনার কিন্তু মোটামুটি পার্মানেন্ট একটা ব্যাকলিংক হয়ে গেছে। যা আপনাকে সেল + লিংক দুইটাই দিবে।

আমার ভাল লাগাঃ

আমি সব সময় চেষ্টা করি আমার ভালাগার ইতিহাস ধরে রাখার। ভাল লাগার আবার ইতিহাস শুনে আপনার হয়ত হাসি পেতে পারে কিন্তু আপনারও একটা ভাল লাগার ইতিহাস আছে। আপনি নিজের অজান্তেই সেইটা বানায় ফেলছেন কিন্তু কখন অনুভব করেনি।

ছোটবেলা আপনার চকলেট খুব প্রিয় ছিল, কিন্তু এখন আর আগের মত চকলেট অতটা ভাল লাগে না। এমনও হতে পারে যে এখন মোটেই ভাল লাগে না।

যখন আপনার ছোট বেলায় চকলেট ভাল লাগত তার কিন্তু একটা লিস্ট ছিল আপনার কাছে। কেউ যদি আপনাকে চকলেট খেতে দিতে চাইত আপনার পছন্দের লিস্টের মধ্যে যদি ঐ চকলেট হত তাইলে আপনার আনন্দের সীমা থাকত না।

এই খানে ব্যাপারটা ঠিক ঐ রকম। আপনি যদি মামুর কাছে প্রশ্ন করেন ঠিক এই ভাবে “my favorite (TOPIC) blogs”, তখন মামু আপনাকে ঐ লিস্টটাই দেখাবে, যারা ঠিক আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস ক্যাটাগরির ভাল লাগার একটা লিস্ট করে রেখে দিয়েছে।

আরো কিছু সার্চ কিওয়ার্ড হতে পারেঃ

  • “best (topic) blogs YEAR”
  • “(TOPIC) blogs to read”
  • “My favorite (TOPIC) blogs”

এই ভাবে আপনি অনেক ভাল মানের সাইট পাবেন যারা ঐ ভাবে লিস্ট করে রেখে দিয়েছে তাদের মতে ভাল সাইটের।

এখন, আপনার কাজ হল ঐ সকল সাইটের একটা লিস্ট করে ফেলা। এর পর প্রত্যেককে একটা করে মেইল দেন যে আপনার সাইটা যেন তার ভাল লাগার তালিকায় রেখে দেয় যদি তাদের ভাল লাগে।

ব্যাস হয়ে গেল। এই ধরনের লিংক অনেক দিন ধরে ভাল মানের ভিজিটর দিবে। এই কাজটা করতে আপনার এক কথায় বিনিয়োগ প্রায় শূন্যের কোটায়।

কারণ, আপনি মামুর সাহায্য নিবেন লিস্টটা বানানোর জন্য। আর মেইল করা এই ছাড়া আপনার আর কোন কাজ নেই।

মনেকরেন, আপনি ১০০ জনকে মেইল করলেন। অন্তত, ১০ জনের কাছ থেকেও যদি আপনি পজিটিভ রিপ্লেপান, তাইলেও কিন্তু অনেক।

সালতামামিঃ

আপনার যারা জবের জন্য চেষ্টা করছেন, তারা অবশ্যই কারন্ট ওয়ার্ল্ড বা এর মত অন্য যে মাসিক পত্রিকা পড়েন নাই, এমন লোক খুজে পাওয়া যাবে না।কিন্ত প্রত্যেকটা মাসিক পত্রিকা বছর শেষ হওয়ার পর বছরের সব বড় বড় ঘটনা গুলকে এক জায়গায় করে একটা বাৎসরিক পত্রিকা বের করে।যার নাম, সালতামামি।এই সালতামামির চাহিদা কিন্তু মাসিক পত্রিকা গুলার থেকেও অনেক বেশি থাকে।

আপনি যদি গুগল সার্চ করেন তাইলে অনেক সাইট পাবেন যারা এই ধরনের সালতামি বানায় কিন্তু সে গুল হল লিংকের।

সারা মাসের সব থেকে ভাল পাবলিকেশন গুল নিয়ে তারা যে লিস্ট করা তারনাম “link roundup”। এখন আপনার কাজ হল কারা এই ধরনের লিংক রাউন্ডআপ রাখে তাদের একটা লিস্ট করা।

আমার যথারীতি মামুর সাহায্য নিব এই লিস্ট বানানোর জন্য। কিন্তু, মামুকেতো বুঝান লাগবে আপনার কি দরকার। এই জন্যঃ

  • “your keyword” + “link roundup”
  • “your keyword” + roundup
  • “your keyword” + “best of”
  • “your keyword” + this week

উপরের লিস্টের মত করে মামুর কাছে সার্চ করেন। মামু আপনাকে অনেক ভাল একটা লিস্ট বানাতে সাহায্য করবে।

এখন, আপনার কাজ ঠিক আগের মতই সাইটের মালিককে মেইল করা।হয়ে গেল বিনা পয়সায় ব্যাকলিংক।

ছবি ট্যাগঃ

মনে করেন, আপনারা কিছু দিন আগে সুন্দরবন থেকে ভ্রমণ করে আসছেন।এখন আপনার বন্ধুরা সবাই সেই সব ছবি গুল ফেসবুকে তাদের ওয়ালে আপলোড করে দিছে।ঐ খানে আপনার ছবিও আছে কিন্তু কেউ আপনাকে ট্যাগ করে দিনাই।আপনার যারা পরিচিত আছে তারা হয়ত আপনার ছবি দেখেই বুঝবে যে আপনি কে।কিন্তু, অন্যদের বুঝার কোন অপশন কিন্তু নাই।এই সমস্যার সমাধান হল আপনার বন্ধু যদি আপনার ছবি আপনাকে ট্যাগ করে।তাহলে, যে আপনাকে চিনেনা সেও কিন্তু বুঝতে পারবে ছবিটা কার।আপনি শুধু আপনার বন্ধু কে বল দিবেন যে, “আমার ছবি গুল আমারে ট্যাগ করে দে”।হয়ে গেল, আর কোন কাজ নাই।আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের ব্যাকলিংক কমপ্লিট।

বাজসুমো এবং মেন্সন.নেট থেকে আপনি খুজে বের করতে পারবেন কারা আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে কথা বলেছে কিন্তু লিংক করে নাই।

সুতরাং, আপনার কাছে এখন তাদের একটা লিস্ট আছে যারা আপনার প্রোডাক্টের ইতিমধ্যে ভক্ত হয়ে গেছে। এখন আপনার কাজ হল শুধু তাকে মনে করায় দেয়া যে দয়া করে “আমাকে ট্যাগ করুন”।

ওহে (নাম),
আপনারে অনেক ধন্যবাদ যে আপনার পাবলিশ হওয়া অসাধারণ আর্টিকেলে আমার প্রোডাক্টের নাম উল্যেখ করছেনআমি সত্যি, সত্যি আপনার কাজে মহাখুশিকিন্তু, আপনি যদি আমার প্রোডাক্টের নামের যায়গায়, প্রোডাক্টের অর্ডার পেজটা লিংক করে দিতেন তাহলে মানুষ খুব সহজেই অর্ডার করতে পারতযাইহোক, আপনার কাজের জন্য আবারো ধন্যবাদআপনার পরবর্তী অসাধারণ লেখার জন্য অপেক্ষায় থাকবভাল থাকবেন,
ইতি,
আপনার নাম

হয়ে গেল, আপনার কাজ। সুযোগ পায়ের কাছে ঘুরঘুর করবে, আর আপনি ছেড়ে দিবেন কেন?

মাছের তেলে মাছ ভাজাঃ

লিংকবিল্ডিং করার সময় সবার ইচ্ছা থাকে যদি .edu সাইটে কোন ভাবে লিংক করা যায়।এই জন্য, আপনি একটা স্কলারশিপ পেজ করে ফেলান।সেখানে, একটা স্কলারশিপ গাইড লিখে ফেলান।এখন আপনার কাজ হল ঐ সব .edu সাইট খুজে বের করা যাদের স্কলারশিপ নামে একটা পেজ আছে।

এই জন্য আপনি আবারো মামুর সাহায্য নিবেন।

Inurl:edu “scholarship”

উপরের লেখাটা দিয়ে মামুর কাছে সার্চ দেন।

এখন একটা লিস্ট করে ফেলান যারা আপনার সাইটের পেজের সাথে যায়। এখন একটা সুন্দর মেইল লিখে ফ্যালান।

হ্যালো (নাম),
আমার একটা স্কলারশিপ পেজ আছে যেখানে আমি সব সময় ভাল ভাল স্কলারশিপ গুল সম্পর্কে আপডেট দিয়ে থাকে যা আপনার ছাত্রছাত্রীদের জন্য খুব কাজে লাগবেআমার পেজের নাম “নাম”, এই খানে (একটা ছোট বর্ণান দিয়ে দেন আপনার পেজের সম্পর্কে)
আপনি যদি আমার পেজটাকে আপনাদের স্কলারশিপ পেজে রিকমেন্ডসন পেজ হিসাবে যোগ করে দিতেন, তাহলে আপনার স্কলারশিপ পেজটা আরো বেশি রিসোরস্ফুল হতঅবশ্যই, আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে জানাবেনভাল থাকবেন,
(আপনার নাম)

আপনার কাজ শেষ, এখন শুধু অপেক্ষার পালা কত জন রিপ্লে দেয়।

HARO:

বিখ্যাত সব জার্নাল এবং পত্রিকায় যদি আপনার সাইটের লিংক করাতে চান, HARO তাহলে আপনার জন্য বেস্ট সমাধান। কাজ খুবই সাধারন, সোজা ওয়েবসাইটে যেয়ে সাইনাপ করেন। এর পর আপনি প্রত্যেক দিনে তিনটা করে মেইল পাবেন। যেখানে জার্নালরা, রিপোর্টাররা ভাল মানের উতস্য খুঁজছেন। এখন আপনার কাজ হল, আপনার জানা কোন ভাল উতশ্য থাকলে, তাকে সাহায্য করা। বিনিময়ে তারা আপনাকে অসধারন ব্যাকলিংক উপহার দিবে যা আপনার দরকার ছিল।

মাছের তেলে আবারো মাছ ভাজাঃ

এই বারের মাছের তেলে মাছ ভাজার প্লানটা একটু আলাদা। আপনি যদি একটু খুঁজাখুঁজি করেন তাইলে অনেক .edu সাইট পাবেন, যাদের রিসোর্স পেজ আছে।

আসেন আগে মামুর কাছ থেকে পেজ গুল নিয়ে আসিঃ

  • Site:.edu “your keyword”
  • Site:.edu “your keyword” + “resources”
  • Site:.edu “your keyword” + inurl:links
  • Site:.edu “your keyword” + “other sites”

এখন আপনার কাজ ঠিক আগের মতই। একটা মেইল লিখে ফেলান এবং প্রত্যেককে জানান আপনার ওয়েবসাইট তাদের রিসোর্স পেজে যোগ করে দিলে, তাদের রিসোর্স পেজ আরো বেশি রিসরস্ফুল হবে।

এই খান থেকে, পজিটিভ রিপ্লে পাওয়ার সম্ভাবনা ৫-১০%। কিন্তু, এই ব্যাকলিঙ্কের ভ্যালু অন্য যে কোন ব্যাকলিংক থেকে অনেক বেশি।

ফিডব্যাকঃ

প্রোডাক্টের যেমন আমাজন থেকে রিভিউয়ের সিস্টেম আছে, ঠিক আপনার ওয়েবসাইটের ফিডব্যাক নিতে পারেন। এর জন্য শুধু মাত্র আপনার ওয়েবসাইটকে সাবমিট করতে হবে। এই গুল বেশির ভাগই ডু-ফলো লিংক হিসাবে কাজ করে।

ঠিক এইরকম দুইটা সাইট হলঃ

বিদায়ঃ

মনেকরেন, আপনি যে নিসের উপর কাজ করেন তার একটা বিখ্যাত সাইট হটাত করে তাদের সাইটের নাম পরিবর্তন করছে/ সাইটের লিংক পরিবর্তন করছে/বন্ধ হয়ে গেছে।

কিন্তু, ঐ সাইটের প্রচুর পরিমাণে ব্যাকলিংক ছিল। আপনি ahrefs দিয়ে ঐ সাইটের যত ব্যাকলিংক আছে বের করে ফ্যালেন। এখন শুধু কাজ হল সবাইকে জানানো যে ঐ সাইট আর নাই। আপনি আমার সাইটকে রিকমেন্ড করতে পারেন।

আসেন তাইলে দেখাযাক, আমারা কি করে সাইট গুল খুজে পাব। মামুর কাছে সার্চ দেনঃ

  • Keyword + shut down
  • Keyword + changed names
  • Keyword + moved URLS
  • Keyword + No longer updated
  • Keyword + out of business
  • Keyword + rebranded
  • Keyword + service no longer available
  • Keyword + this resource no longer updated

লিস্ট বানান হয়ে গেলে। এইবার মেইল দেয়া শুরু করেন।

অন্যতমর লিস্টঃ

অনেক ব্লগ আছে যারা বিভিন্ন নিসের উপর ভাল মানের ব্লগের লিস্ট রেখে থাকে। এখন আপনার কাজ হল ঐ সাইটে আপনার সাইটা সাবমিট করা। সাবমিট করা শেষ হলে, ঐ খান থেকে একটা ডু-ফলো লিংক পাবেন। ব্যাস হয়ে গেল।

এই রকম একটা সাইটের নামে হলঃ alltop.

গেস্ট পোস্টিং লিস্টঃ

গেস্ট পোস্টিং এর অপশন আছে, এই রকম ভাল মানের ওয়েবসাইট খুজে বের করতে গেলে মাথার ঘাম পায়ে আইসে দাঁড়ায়। কারণ, কোন সাইটের বর্তমান অবস্থা কেমন এইডা জানার জন্য আপনাকে ওয়েবসাইটা ভাল মত রিসার্চ করা লাগবে।

বর্তমান অবস্থা বোঝার জন্য সব থেকে ভাল হয় যদি আপনি তার সোশ্যাল মিডিয়াতে অবস্থান কেমন এইটা বের করে ফেলতে পারেন।

কিন্তু, এমন যদি হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে এর মধ্যে একটা অপশন আছে খুজে বের করার জন্য তাহলে কিন্তু অনেক ভাল হত।

ঠিক এই অপশনটাই আছে টুইটারে।

সোজা টুইটারের সার্চ অপশনে চলে যান। এখন আপনার কাজ হল সার্চ করা। সার্চ করার জন্য ঠিক আপনি মামুর কাছে যে ভাবে করেন এই খানেও ঐ একই ভাবে করবেন।

  • “your niche” + guest post
  • “your niche” + guest author
  • “your niche” + write for us
  • “your niche” + guest article

আপনি অনেক পোস্ট খুজে পাবেন এখন যারা গেস্ট পোস্টিং এর কথা উল্ল্যেখ করে টুইট করছে। আপনি তাদের একটা লিস্ট করে ফেলেন। এখন আপনার কাজ হল, প্রত্যেকের সাথে যোগাযোগ করা। আপনি যদি তাদের টুইটের ইতিহাস চেক করেন তাইলে বুঝতে পারবেন, তারা কত দিন পর পর গেস্ট পোস্টিং করে থাকে এবং কোন ধরনের গেস্ট পোস্টিঙকে প্রাধান্য দেয়।

প্রত্যেকের সাথে ঠিক তাদের মনভাব বুঝে কথা বলার চেষ্টা করেন।

আসলে, এই খানের সুবিধা হল আপনার সাথে প্রায় ইনস্ট্যান্ট কথা হচ্ছে। এই খানে আপনার ম্যাসেজ স্প্যাম ফোল্ডারে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই যা ইমেইল করলে থাকে।

সুতরাং, সুযোগ মিস করবেন কেন?

আইসক্রিমঃ

আপনি হয়ত ইতিমধ্যে scoop.it এর নাম শুনে থাকবেন। কিন্তু nofollow লিংক ক্রিয়েট হয় এই কারনে যদি ব্যবহার না করে থাকেন, তাহলে বড় ধরনের সুযোগ আপনি মিস করে চলেছেন। আপনার কিন্তু আসল উদ্দ্যেশ্য হল আপনার ওয়েবসাইটে ভাল মানের ভিজিটর আসা এবং অবশ্যই সেটা যেন হয় বৈধ ভাবে। তাহলে, অবশ্যই আপনার scoop.it ব্যবহার করা উচিত।

সব থেকে বড় কথা হল, অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া সাইট গুলতে ভাল পজিশনে আসতে গেলে আপনাকে অনেক সময় দেয়া লাগবে কিন্তু এই খানে আপনি ২০-৩০ মিনিট সময় দিয়েই অনেক ভাল ফলাফল পেতে পারেন।

scoop.it হল এমন একটা জায়গা যেখানে মানুষ তাদের ভাল লাগা লেখা গুল ম্যগাজিনের মত করে সংরক্ষণ করে।

এই খানে টুইটারের মত ফলো করার অপশন আছে। সব থেকে বড় কথা হল এই খানে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার সাইট গুলর মত ফেক কোন ফলোয়ার থাকে না।

এখন হাই পেজ রাঙ্ক দেখে কয়েকটা scope পেজ খুজে বের করেন। এখন সাজেস্ট অপশনে ক্লিক করে আপনার কন্টেন্টের কথা জানিয়ে দিন। ১০০ জনকে মেসেজ দেয়ার পর দিন শেষে আপনার যদি ২০ টা লিংক ক্রিয়েট হয় তাহলেও কিন্তু অনেক।

হউক না সে নোফলো, কিন্তু ভাল মানের ভিজিটর আপনাকে দিবে।

ব্রোকেন লিংক বিল্ডিংঃ

ব্রোকেন লিংক বিল্ডিং মেথডটা অনেক টাই মুভিং ম্যান মেথডের মত। কিন্তু, এই খানে আপনি একটু ধূর্ত শেয়াল নীতি গ্রহণ করবেন। আপনার লেখা যতই ভাল হউক না কেন সাধারণ ভাবে লিংক করাটা একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আসেন তাইলে দেখা যাক,  ধূর্ত শেয়াল এই খানে কোন নীতি ব্যবহার করে।

আপনার প্রথম কাজ হল মামুর সাহায্য নেয়া। তবে তার আগে গুগল ক্রমে Check My Links নামে একটা এক্সটেনশন যোগ করে নিন।

  • “keyword”  + “resource page”
  • “keyword” + “resources”
  • “keyword” + “recommended sites”
  • “keyword” + “links”

উপরের লেখা গুল নিয়ে আপনি যদি গুগল সার্চ করেন তাইলে অনেক ভাল মানের রিসোরচ পেজ পাবেন আপনার কিওয়ার্ড এর উপর।

এখন আপনার এক্সটেনশনে ক্লিক করেন। এক্সটেনশন আপনাকে ভাল এবং ভেঙ্গে যাওয়া দুই ধরনের লিঙ্কই শো করবে।

এখন আপনার কাজ হল ঐ সব ব্রোকেন লিঙ্কে কি ছিল ওইটা চেক করা। এর জন্য আপনি আর্কাইভ কে ব্যবহার করবেন। যদি দ্যাখেন কোন আর্টিকেল আপনার ব্লগের সাথে মিল আছে, তাহলে সাইটের মালিক কে মেইল করুন।

হয়ে গেল কাজ। আপনি কিন্তু, বেজায় খুশি। যে বিনা খরচে একটা ভাল মানের পেজ রাঙ্ক এর সাইটে, আপনার একটা ব্যাকলিংক হয়ে গেল। কিন্তু, আপনার জন্য আরও সুযোগ অপেক্ষা করছে।

ঐ ব্রোকেন লিংক গুল কোন কোন যায়গায় লিংক করা ছিল তার একটা লিস্ট বের করে ফেল্যান। এর জন্য আপনি ahrefs এর সাহায্য নিতে পারেন।

অবশই একটা ভাল মানের মেইল লিখে ফ্যালান এবং সব সাইটের মালিককে মেইল দেন।

এই খান থেকে ভাল ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

শর্টকার্ট ছবিঃ

লিংক বিল্ডিং এর জন্য Infographics অসাধারণ একটা টুলস। আপনার কাছে মনে হতে পারে Infographics বানান খুবিই সময়ের ব্যাপার + খরচ অনেক বেশি। কিন্তু, ব্যাপারটা আসলে একদমই ঐ রকম না আপনি যতটা কঠিন মনে করেন।

ছোট বেলায় সরল অংক দেখলে মনে হত এর নাম সরল রাখছেকে তারে একটু ধরে আনা দরকার। এইডা যদি সরল হয় তাহলে জটিল অংক কি জিনিস।

কিন্তু, কয়েক দিন সরল অংক প্রাকটিস করার পর মনে হত সব অংক যদি সরলের মত হত!

এই খানেও ব্যাপারটা ঠিক ঐ রকমই।

আপনি যদি ভাল আর্টিকেল লিখতে পারেন/চিন্তা/প্লান করতে পারেন তাহলে আপনি অবশ্যই ভাল মানের Infographics বানাতে পারবেন।

আপওয়রকে আপনি অনেক কম প্রাইসে অনেক ভাল মানের ডিজাইনার পাবেন।

এর পর আপনার কাজ হবে, আপনার Infographics এর প্রোমোশন করা। এর জন্য আপনিঃ

এই ওয়েবসাইট গুল ব্যবহার করতে পারেন। এর পর আপনার কাজ হল আপনার Infographics টা যে কিওয়ার্ড এর উপর সেই অনুযায়ী কিছু ভাল মানের ব্লগ খুঁজে বের করা।

আর্টিকেল এর থেকে Infographics গেস্ট পোস্টিং হিসাবে ভাল কাজ করে।

গগন চুম্বীনীতিঃ

গগন চুম্বি নীতি (SkyscraperTechnique) অসধারন একটা প্লান লিংকবিল্ডিং এর জন্য। এই প্লান যদি আপনি ভাল ভাবে ফলো করতে পারেন আপনার সাইটের ভিজিটর ১১০% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এই প্ল্যানের জনক হলেন ব্রায়ান ডিন। এর উপর আমি বাংলায় আগেই একটা ব্লগ পোস্ট লিখছিলাম। এখানে আর নতুন করে কিছু লিখলাম না। Skyscraper Technique জানতে এই খানে ক্লিক করুন

গুগল+:

যত গুল সোশ্যাল মিডিয়া সাইট আছে তার মধ্যে সব থেকে কার্যকারী হল “মামু+”। মামু আপনাকে আর্টিকেল পোস্ট করার প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনার আর্টিকেল আপনার গুগল+ ফলোয়ার দের মধ্যে ১-১০ এর মধ্যে  নিয়ে আসবে।

গুগলে কোন কিছু নিয়ে সার্চ করলে যদি আপনি জিমেইলে সাইন ইন করে সার্চ করেন তাহলে দুইটা অপশন পাবেনঃ show all এবং private result. সাধারণত মানুষ show all অপশন চালু রাখে, সুতরাং আপনার আর্টিকেল তখন শো করে ১-১০ এর মধ্যে।

আর একটা কথা গুগল+ যে Dofollow লিংক প্রদান করে এইটা কি আপনি জানেন? তবে dofollow লিংক দেখার জন্য আপনাকে অবশ্যই জিমেইল থেকে লগ আউট করে নিতে হবে।

এখন আপনার পালা, উপরের কৌশল গুলর মধ্যে আপনি কোনটা ব্যবহার করবেন?

তাহলে, শুরু করুন।

আর অবশ্যই কোন প্রশ্ন, সাজেশন থাকলে জানাবেন। যতটুকু পারি সাহায্য করার চেষ্টা করব। আমি এই খানে নিয়মিত লেখালিখি করি।

সময় পাইলে ঘুরতে আসতে পারেন, আপনার সময় টুকু বৃথা যাবে না ৯৯% গ্রান্টি।

আপনার অনলাইন জীবন সুখের হউক।

আপনার জন্য শুভ কামনা রইল।